স্বপ্নপূরণ
উচ্চশিক্ষার জন্য ৭৪ লাখ টাকার বৃত্তি পেলেন মেধাবী জেমি
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
১৯-০৮-২০২৬ ০৪:০১:৫১ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
১৯-০৮-২০২৬ ০৪:০১:৫১ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ জহুর চান বিবি মহিলা কলেজের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি অর্জন করেছেন এক অসাধারণ সাফল্য। তিনি চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে অধ্যয়নের জন্য প্রায় ৭৮ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি পেয়েছেন।
জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন জান্নাতুল জেমি। গত ২০ জুলাই থেকে তিনি শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের সামার স্কুল প্রোগ্রামে অংশ নেন। সফলভাবে প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার পরই তার সামনে উন্মুক্ত হয় আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার এ বড় সুযোগ। শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ শিক্ষার্থী এ মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি লাভ করেছেন। তাদের মাঝে দুজন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সম্পূর্ণ ফ্রি ভর্তির সুযোগ পাবেন, দুজনের একজন হচ্ছেন জেমি।
ইউনিভার্সিটির ভর্তি কমিটির পরিচালক মৌরি রহমান মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জেমিকে চিঠি দিয়ে বৃত্তি প্রাপ্তির কথা নিশ্চিত করেন।
চার বছর মেয়াদি এই বৃত্তির আওতায় তিনি প্রতিবছর পাবেন ১৫ হাজার মার্কিন ডলার, যা তার উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ ব্যয় বহনে সহায়তা করবে।
২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর গত ২০ জুলাই থেকে তিনি শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের সামার স্কুল প্রগ্রামে অংশ নেন। সফলভাবে প্রোগ্রাম সম্পন্ন করার পরই তার সামনে উন্মুক্ত হয় আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার এই বড় সুযোগ।
জেমির বাবা আফজল আলী শায়েস্তাগঞ্জ পশ্চিম লেঞ্জাপাড়ার বাসিন্দা এবং একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় জেমি জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ থেকে ২০২৫ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন।
বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের সামার স্কুলে অংশ নেওয়া তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জ জয় করেই তিনি প্রমাণ করেছেন, সুযোগ ও পরিশ্রম থাকলে সীমাবদ্ধতা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
প্রায় ৭৮ লাখ টাকার এই বৃত্তি শুধু জেমির ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি তার পরিবারের দীর্ঘ সংগ্রামের স্বীকৃতি এবং দেশের তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত। বাবা, মা ও শিক্ষকদের নিরন্তর সমর্থন, উৎসাহ এবং নিজের অদম্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে তিনি পৌঁছে গেছেন এই গৌরবময় সাফল্যের শিখরে।
বৃত্তি পেয়ে উচ্ছ্বসিত জেমি বলেন, ‘যে দিন এ রকম একটা বৃত্তির কথা শুনেছি সেদিন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করা শুরু করেছি, অব্যাহত চেষ্টা ও প্রবল ইচ্ছা শক্তির কারণে এ বৃত্তি লাভ করতে পেরেছি। কলেজের অধ্যক্ষ স্যারের মাধ্যমেই আমি এ বৃত্তির সুযোগ পেয়েছি।’
কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘জেমি বরাবরই মেধাবী।
বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের সামার স্কুলে অংশ নেওয়া তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জ জয় করেই তিনি প্রমাণ করেছেন, সুযোগ ও পরিশ্রম থাকলে সীমাবদ্ধতা ভেঙে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।
বাংলাস্কুপ/প্রতিনিধি/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স